
এম এ রশীদ বিশেষ প্রতিনিধি:
সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের সার্ভেয়ারের দায়িত্বে গৌতম কুমার শীল। সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিসার না থাকার কারণে সাধারণ মানুষকে অনেক হয়রানি করিতেছেন কোন কাগজপত্র পরামর্শের জন্য গেলেই শুধু টাকা পয়সা দাবি করেন । টাকা পয়সা না দিলে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করেন। ১ নং আলীনগর ইউনিয়নের একজন বয়স্ক আমেরিকান প্রবাসী বৃদ্ধ মুরব্বি বলেন ১৩/০৫/২০২৬ ইং রোজ বুধবার নামধারী আবেদন করিয়া উনি ভূমি অফিসে গেলে উনি টাকা পয়সা দাবি করেন, কিন্তু উনি আলীনগর ইউনিয়ন থেকে আশায় উনার সাথে সামান্য টাকা ছিল। শেষ পর্যন্ত ৫০০০/- হাজার টাকা দিয়ে যান। তারপর ১৫ দিন পর উনি ফোন করলে সার্ভেয়ার গৌতম কুমার শীল বলেন আপনার দলিল বেশি আমাদের অফিসে স্যার নাই। স্যারের দায়িত্বে আছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার উনাকে বড় অংকের টাকা না দিলে আপনার কাজ হবে না। তারপর সার্ভেয়ার টাকা দাবি করেন ৫০,০০০/- হাজার টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে উনি নামজারি হবে না আলাপ আলোচনা করে প্রবাসী ব্যক্তি বাধ্য হয়ে টাকা দিছেন তারপর নামজারি অনুমোদন হয়েছে।
আরো দুবাগ ইউনিয়নের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের আহত যুবনেতা তাজিম আহমদ চৌধুরীর মৌজা বড়গ্রাম জে এল নম্বর ৭৪ তাজিম আহমদ চৌধুরীর মৌরসী ভূমি এই ভূমি ঝাল জালিয়াতি করিয়া অন্য মালিকের নামে সেলিম উদ্দিনের নামে নামজারি করাইয়া দেন সার্ভেয়ার গৌতম কুমার শীল মোটা অংকের টাকা নিয়ে।
তাজিম আহমদ চৌধুরী ডিসি অফিসের মাধ্যামে নকল কাগজ পত্র উঠাইয়া মামলা করার প্রস্তুতি নিয়েছেন।
যেখানে সরকারের নির্ধারিত নামঝারি ফিস হচ্ছে ১, ১৭০/ টাকা সেইখানে ভূমি সার্ভেয়ার গৌতম কুমার শীল এর সাথে টাকার কন্টাক না করলে সাধারন মানুষের কোন কাজ হয় না। আরো উওভাগ মৌজার জেনি চৌধুরী একটা নামঝারী ছিলো এই নামঝারী বাবত ২৫,০০০/ হাজার টাকা নেন এবং এইভদ্রমহিলাকে অশ্লীল ও খারাপ ক্রুপ্রস্তাব দেন। এবং নামঝারী আবেদনের মোবাইল নম্বরে প্রত্যেক আবেদনকারীকে ফোন দিয়ে ভূমি অফিসে আসা লাগবে তারপর পাবলিক আসার পর মোটা অংকের টাকা দাবী করেন স্যারকে দেওয়া লাগবে টাকা না দিতে পারলে নামঝারী বাতিল করাইয়া দেন। অনেক নামজারি মামলা না নামঞ্জুর হওয়ার পরও বড় অংকের টাকা কন্টাক করিয়া পুনরায় মঞ্জুর করেন গৌতম কুমার শীল। বিয়ানীবাজার উপজেলা সহকারী (ভূমি) অফিসের এক আতঙ্কের নাম গৌতম কুমার শীল টাকা দিলে কাজ হয় টাকা না দিলে কাজ হয় না। সাধারণ ভুক্তভোগী মানুষ গৌতম কুমার শীলের কাছে খুবই অসহায়। আরও অফিসের চেয়ারে বসিয়া বড় বড় কথা বলেন উনি সংখ্যালঘু সবাই একসাথে কট্টর ভাবে চলতেই হবে তারপর দেউনগর এর বাবলু আহমদের সাথে কথা বলতেই বলতে বলেন আমি দুই থানায় অফিস চালাই গোলাপগঞ্জ এবং বিয়ানীবাজার আমার কেউ কিছুই করতে পারবেনা। আমি এসি ল্যান্ড আমি কানুনোগ আমি সার্ভেয়ার আমি অফিস চালাই স্যার কেডা। অফিসেই একাই নামজারি করেন সার্ভেয়ার গৌতিম কুমার শীল আর কাউকেই কোন কিছু করতে দেন না। এ বিষয়ে সুষ্ঠ তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তা গৌতম কুমার শীলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। উল্লেখ্যযে- বিয়ানীবাজার উপজেলা (ইউএনও) নির্বাহী অফিসার উম্মে হাবিবা মজুমদারের নাম বিক্রি করে গৌতম কুমার শীল মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ নিয়ে ভূমি অফিসের নামজারি সহ অনান্য সব কাজ করে দেন। সূত্র : দৈনিক আজকের বসুন্ধরা, পর্ব ১